অতি নীরব,নিঃশব্দে
প্রণাম করো..
দেবী লক্ষি-র আঙিনা।
অথচ-
এক সময় দেবী লক্ষি-র মন্দিরে
পুজার ঘন্টা বাজানোর বড়
শখ ছিলো তোমার...
অসংখ্য ভক্তদের ভীড় ঠেলে
একটু প্রসাদের লোভে কতই না
আকুতি ছিলো জলদি ঠোঁটের ওপর...।
দিনের লাল সূর্য হেটে হেটে
নুয়ে গেছে সন্ধ্যার দ্বারে
দেবী লক্ষি-র মন্দিরে এখনো
ঘন্টা বাজে আগের মতো...
শুধু তোমার আগ্রহের টিকটিকি
মরে গেছে...।
No comments:
Post a Comment